Thursday, December 6, 2012

লক্ষ্মীপুরে ঙ্গলবার জামায়াত-শিবিরের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত।

 লক্ষ্মীপুরে শিবির পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ, গাড়ী ভাংচুর, রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করার মধ্যদিয়ে মঙ্গলবার জামায়াত-শিবিরের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হয়েছে। সময় পুলিশসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। আহতরা হলেন, ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওহিদ, কনস্টেবল আবুল খায়ের এবং শিবির কর্মী মো. রাকিব, মো. সুমন, আবু ছিদ্দিক, সাইফুল ইসলাম, বোরহান উদ্দিন, আব্দুল রহিমসহ ১০ জন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিসা দেয়া হয়েছে। 
এদিকে পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত শিবিরের ডাকা হরতাল চলাকালীন সময়ে লক্ষ্মীপুর জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ১১ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলো, মোঃ আনোয়ার হোসেন (২০), মাকসুদুর রহমান (২১), মোঃ ফরিদ (১৯), নাছির (২২), ওসমান গনি (২০), নাছির (৫২), মোঃ কামাল (২৬), মোঃ শরিফ হোসেন, সোহরাব হোসেন (১৮), আরিফ হোসেন (২০), মোঃ রফিক উল¬, রিয়াজ (২০)
হরতালের সমর্থনে সকালে জামায়াত-শিবির কর্মীরা লক্ষ্মীপুর-রায়পুর সড়কের বিসিক মান্দারী এলাকায় এবং দুপুরের দিকে সদর উপজেলার মিয়া রাস্তারমাথা নামক স্থানে পিকেটিং করার সময় সিএনজি, মাইক্রোবাস ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রায়পুরগামী যাত্রীবাহী একটি বাস (ফেম পরিবহন) বটতলী বাজারে ভাংচুর করে। এছাড়া লক্ষ্মীপুরের আলীয়া মাদ্রাসার সামনে, দালাল বাজার, মান্দারী, ভবানীগঞ্জ চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন স্থানে হরতাল সমর্থনকারীরা গাছের গুঁড়ি ফেলে টায়ার জ্বালিয়ে পৃথক পিকেটিং করতে দেখা যায়। এদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় হরতালে রাজপথে পুলিশের ব্যাপক প্রস্তুতি পরিলক্ষিত হয়। জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আইন শৃংখলা বাহিনীর টহল ছিল চোখে পড়ার মতো।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ছরোয়ার বলেন, শিবির কর্মীরা নাশকতা সৃষ্টি করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে তারা।

No comments:

Post a Comment