songram সারাদেশে অব্যাহত
গণনির্যাতন ও গণগ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতে
ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমদ গতকাল শুক্রবার বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার বিরোধী দলের আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে সারাদেশে গণগ্রেফতার অব্যাহত রেখেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা আমীর প্রফেসর আব্দুস সালাম, পৌর আমীর মুমিনুল ইসলাম পাঠান, জামায়াত নেতা গোলাম মোস্তফাসহ ২৭ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক বৈঠক চলাকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জামায়াত একটি বৈধ এবং জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল। তিনি বলেন, সরকার জামায়াত নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে একটি বাহানা আবিষ্কার করেছে তা হল, কোন বৈঠক হলেই তাকে নাশকতার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক বলে চালিয়ে দেয়া। জামায়াতে ইসলামী কোন ধরনের নাশকতা বা গোপন তৎপরতায় বিশ্বাস করে না। এ সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কর্মকা-ে প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করছে। সরকারের বিরুদ্ধে যাতে কার্যকর গণআন্দোলন গড়ে উঠতে না পারে সেজন্য নানা ছলছুতোয় জামায়াত নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবারও ঝিনাইদহ জেলায় বিভিন্ন স্থানে এবং ছাত্রাবাসে হানা দিয়ে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের ১৩ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ছাত্রাবাসে হামলা চালিয়ে তারা কম্পিউটার, ল্যাপটপ, টাকাপয়সা ও মূল্যবান আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়। তিনি এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
তিনি বলেন, সরকার তার ব্যর্থতা ঢাকার জন্য যতই দমন-পীড়ন চালাক না কেন জনগণের গড়ে ওঠা আন্দোলন কিছুতেই দমন করতে পারবে না। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করে পুনরায় ক্ষমতায় আসার খায়েশ জনগণ কোনদিনই পূরণ হতে দেবে না। আমরা সরকারকে স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, দেশের জনগণ আজ সরকারের সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ।
তিনি অবিলম্বে সকল চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র প্রত্যাহার করে, গণগ্রেফতার, গণনির্যাতন বন্ধ ও আটক সকল নেতা-কর্মীদের মুক্তি, কেয়ারটেকার সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে জনগণের দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগ করে শুভবুদ্ধির পরিচয় দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার বিরোধী দলের আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে সারাদেশে গণগ্রেফতার অব্যাহত রেখেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা আমীর প্রফেসর আব্দুস সালাম, পৌর আমীর মুমিনুল ইসলাম পাঠান, জামায়াত নেতা গোলাম মোস্তফাসহ ২৭ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক বৈঠক চলাকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। জামায়াত একটি বৈধ এবং জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল। তিনি বলেন, সরকার জামায়াত নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে একটি বাহানা আবিষ্কার করেছে তা হল, কোন বৈঠক হলেই তাকে নাশকতার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক বলে চালিয়ে দেয়া। জামায়াতে ইসলামী কোন ধরনের নাশকতা বা গোপন তৎপরতায় বিশ্বাস করে না। এ সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কর্মকা-ে প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করছে। সরকারের বিরুদ্ধে যাতে কার্যকর গণআন্দোলন গড়ে উঠতে না পারে সেজন্য নানা ছলছুতোয় জামায়াত নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবারও ঝিনাইদহ জেলায় বিভিন্ন স্থানে এবং ছাত্রাবাসে হানা দিয়ে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের ১৩ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ছাত্রাবাসে হামলা চালিয়ে তারা কম্পিউটার, ল্যাপটপ, টাকাপয়সা ও মূল্যবান আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়। তিনি এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
তিনি বলেন, সরকার তার ব্যর্থতা ঢাকার জন্য যতই দমন-পীড়ন চালাক না কেন জনগণের গড়ে ওঠা আন্দোলন কিছুতেই দমন করতে পারবে না। বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করে পুনরায় ক্ষমতায় আসার খায়েশ জনগণ কোনদিনই পূরণ হতে দেবে না। আমরা সরকারকে স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, দেশের জনগণ আজ সরকারের সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ।
তিনি অবিলম্বে সকল চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র প্রত্যাহার করে, গণগ্রেফতার, গণনির্যাতন বন্ধ ও আটক সকল নেতা-কর্মীদের মুক্তি, কেয়ারটেকার সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে জনগণের দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগ করে শুভবুদ্ধির পরিচয় দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
No comments:
Post a Comment